আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ছিল ৩৭তম।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৪৪ মিনিটে শহরের বায়ু মান সূচক (একিউআই) রেকর্ড করা হয়েছে ৬৪।
একিউআই স্কেল অনুযায়ী বাতাসের মানকে ‘সহনীয়’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ হলো বাতাসের মান সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য, যদিও অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সামান্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব পড়তে পারে।
২৩৯ একিউআই স্কোর নিয়ে এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ডিআর কঙ্গোর কিনশাসা। মালয়েশিয়ার কুচিং ও পাকিস্তানের লাহোর ১৯৪ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
একিউআই মানদণ্ড অনুসারে, ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। আর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যের স্কোরকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয় এবং ৩০১-এর ওপরের মাত্রাটিকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বা অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
একিউআই দৈনিক ভিত্তিতে বায়ুর মানের আপডেট প্রদান করে, যা বায়ু কতটা পরিষ্কার বা দূষিত তা নির্দেশ করে এবং সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগত প্রভাব তুলে ধরে।
বাংলাদেশে মূলত পাঁচটি প্রধান দূষণ পদার্থের ওপর ভিত্তি করে একিউআই হিসাব করা হয়: বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও ওজোন।
ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে। সাধারণত শীতকালে বাতাসের মান খারাপ হয় এবং বর্ষাকালে তা উন্নত হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বে প্রতিবছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, প্রধানত স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি), ফুসফুসের ক্যান্সার ও তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণে।